AF EDU 24-এফ এডু ২৪(afedu24.blogspot.com)
--:--:--

সর্বশেষ

বিজ্ঞানের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য ।


১. মাইটোসিস ও মিয়োসিস কোষ গঠনের মধ্যে পার্থক্য:



মাইটোসিস কোষ বিভাজন মিয়োসিস কোষ বিভাজন
দেহ কোষে উৎপন্ন হয় জনন কোষে উৎপন্ন হয়
মাতৃকোষের নিউক্লিয়াস একবার বিভাজিত হয় মাতৃ কোষের নিউক্লিয়াস পরপর দুইবার বিভাজিত হয়
একটি মাতৃকোষ থেকে দুটি অপত্য কোষ সৃষ্টি হয় একটি মাতৃকোষ থেকে চারটি অপত্য কোষ সৃষ্টি হয়
অপত্য কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃ কোষের সমান থাকে অপত্য কোষের ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃ কোষের অর্ধেক হয়ে যায়
সমীকরণিক বিভাজন বলা হয় হ্রাসমূলক বিভাজন বলা হয়

২. ক্যামেরা ও মানব চক্ষুর মধ্যে পার্থক্য:


ক্যামেরা মানব চক্ষু
ক্যামেরার সাটারের সাহায্যে লেন্সের মুখ যেকোনো সময়ের জন্য খোলা রাখা যায়। চোখের পাতার সাহায্যে চক্ষু লেন্সের মুখ যেকোনো সময়ের জন্য খোলা রাখা যায়।
লেন্সের একটি নির্দিষ্ট ফোকাস দূরত্ব থাকে। লেন্সের নির্দিষ্ট কোন ফোকাস দূরত্ব থাকে না।
এটির অভিসারী লেন্সের সাহায্যে লক্ষ্যবস্তুর প্রতিবিম্ব গ্রহণ করা যায়। কর্নিয়া, অ্যাকুয়াস হিউমার, চক্ষু লেন্স, ভিট্রিয়াস হিউমার এক্ষেত্রে একটি অভিসারী লেন্সের মতো ক্রিয়া করে লক্ষ্যবস্তুর প্রতিবিম্ব গঠন করে থাকে।
আলোক চিত্রগ্রাহী প্লেটে লক্ষ্যবস্তুর একটি বাস্তব, উল্টা ও খাটো প্রতিবিম্ব ফেলা হয়।
আলোক সুবেদী অক্ষিপটে লক্ষ্য বস্তুর বাস্তব, উল্টা ও খাটো প্রতিবিম্ব গঠিত হয়।

৩. এসিড ও ক্ষারকের মধ্যে পার্থক্য:

এসিড ক্ষারক
এসিডের স্বাদ টক। ক্ষারকের স্বাদ কটু।
এসিড হাইড্রোজেন আয়ন (H+) উৎপন্ন করে। ক্ষারক হাইড্রোক্সিল আয়ন (OH-)উৎপন্ন করে।
এসিড নীল লিটমাসকে লাল করে। ক্ষারক লাল লিটমাসকে নীল করে।
এসিডের পিএইচ মান ৭ এর কম থাকে। ক্ষারকের পিএইচ মান ৭ এর উপরে থাকে।
উদাহরণ: হাইড্রক্লোরিক এসিড, সালফিউরিক এসিড, নাইট্রিক এসিড, অ্যাসিটিক অ্যাসিড ইত্যাদি। উদাহরণ: সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড, ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড, অ্যালুমিনিয়াম হাইড্রোক্সাইড ইত্যাদি।

৪. প্রতিক ও সংকেতের মধ্যে পার্থক্য:

প্রতীক

প্রতীক হলো কোনো একটি মৌলের সংক্ষিপ্ত রূপ। যেমন, হাইড্রোজেনের প্রতীক H,অক্সিজেনের প্রতীক O।

সংকেত

সংকেত হলো কোনো একটি যৌগের রাসায়নিক গঠনকে প্রকাশ করে। সংকেতে মৌলের প্রতীক ও সংখ্যা ব্যবহার করা হয়।

যেমন,পানির সংকেত H2O, এখানে হাইড্রোজেনের H প্রতীক এবং O অক্সিজেনের প্রতীক,আর ২ সংখ্যাটি দ্বারা বুঝায়, দুটি H পরমাণু আছে।

৫. মহাকাশ ও মহাবিশ্বের মধ্যে পার্থক্য:

মহাকাশ

১. গ্রহ, নক্ষত্র ইত্যাদির মধ্যবর্তী খালি জায়গা মহাকাশ।
২. মহাকাশ মহাবিশ্বের তুলনায় ছোট। 
৩. মহাকাশের শেষ আছে।

মহাবিশ্ব

১. ক্ষুদ্র ধূলিকণা থেকে শুরু করে গ্রহ, নক্ষত্র, ছায়াপথ, গ্যালাক্সি সহ সবকিছু মহাবিশ্ব।
২. মহাবিশ্ব মহাকাশের তুলনায় বড়।
৩. মহাবিশ্বের শেষ নেই।

 ৬. গ্রহ ও উপগ্রহের মধ্যে পার্থক্য হলো:

গ্রহ:

১) গ্রহ সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরে। 
২) গ্রহগুলো আকারে বড় হয়। 
৩) উদাহরণ: পৃথিবী।

উপগ্রহ:

১) উপগ্রহ গ্রহকে কেন্দ্র করে ঘোরে।
২) উপগ্রহ আকারে ছোট হয়।
৩) উদাহরণ: চাঁদ।

Post a Comment

Previous Post Next Post