AF EDU 24-এফ এডু ২৪(afedu24.blogspot.com)
--:--:--

সর্বশেষ

ইতনা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে মহান বিজয় দিবস-২০২৫ অনুষ্ঠিত।

আজ ১৬ই ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ মঙ্গলবার ইতনা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে মহান বিজয় দিবস ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বিজয় দিবস ২০২৫


ইতনা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে মহান বিজয় দিবস ২০২৫ উপলক্ষে সূর্য উদয়ের সাথে সাথে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়েছে। পরবর্তীতে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়েছে। জাতীয় সংগীত শেষে শিক্ষকদের নিয়ে আলোচনা সভা হয়েছে। আলোচনা সভার শুরুতে ১৯৭১ সালের মুক্তযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে নীরবতা পালন করা হয়েছে। ১৯৭১ সালে যে সকল বীর, ছাত্র, শিক্ষক, জনসাধারণ, মা-বোন ও মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হয়েছেন, তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করে প্রার্থনা করা হয়েছে। 

বীর যোদ্ধাদের আত্মার মাগফেরাত শেষে ১৯৭১ সালের মহান বিজয় দিবসের পূর্ব পর্যন্ত যে সকল গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলী ও হত্যাযজ্ঞ রয়েছে সে সকল বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। ইতনার মাটিতেই শহীদ হয়েছেন ৪৩ জন মুক্তিযোদ্ধাসহ অনেকে। ইতনায় মুক্তিযোদ্ধা ক্যাম্প ছিল। মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইউনিয়ন হচ্ছে ইতনা ইউনিয়ন। ইতনার একজন শিক্ষক হিরু স্যার মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযোদ্ধারা নিঃস্বার্থে বাংলাদেশকে স্বাধীন করার জন্য নিজেদের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করে গিয়েছেন। দীর্ঘ নয় মাস রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে, ৩০ লক্ষ শহীদদের রক্তের বিনিময়ে ১৬ই ডিসেম্বর বিকেল ৪ঃ৩১ মিনিটে পাকিস্তান সেনাবাহিনী প্রধান বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ বাহিনীর প্রধানের নিকট আত্মসমর্পণ করলে বাংলাদেশ বিজয় লাভ করে। বিশ্বের মানচিত্রে একমাত্র রাষ্ট্রভাষা বাংলার দেশ হিসেবে বাংলাদেশ পরিচিতি লাভ করে। প্রতিবছর বাংলাদেশের সাথে ভারতও এই দিবসটিকে স্মরণ করে উদযাপন করে।


আরো পড়ুন: ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ যেভাবে বিজয় অর্জন করেছিল।

ভিডিওটি দেখুন



১৪–১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১: মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত পর্ব

১৪–১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১: মহান মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত ইতিহাস

তারিখ ঘটনার নাম সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ও গুরুত্ব
১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ বুদ্ধিজীবী হত্যাকাণ্ড পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ও তাদের সহযোগী আলবদর বাহিনী পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীদের অপহরণ ও হত্যা করে। এই হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য ছিল নবজাত রাষ্ট্রকে মেধাশূন্য করা। রায়েরবাজার ও মিরপুর বধ্যভূমিতে এসব বুদ্ধিজীবীর মরদেহ পাওয়া যায়।
১৫ ডিসেম্বর ১৯৭১ ঢাকায় মিত্রবাহিনীর চূড়ান্ত অগ্রযাত্রা মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত মিত্রবাহিনী ঢাকাকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে। পাকিস্তানি বাহিনী সামরিকভাবে সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে। এদিন পাকিস্তানি বাহিনী যুদ্ধবিরতির ইচ্ছা প্রকাশ করে।
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানি বাহিনীর প্রধান লে. জেনারেল এ. এ. কে. নিয়াজি মিত্রবাহিনীর কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেন। এর মাধ্যমে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অবসান ঘটে এবং বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বিজয় লাভ করে।

Post a Comment

Previous Post Next Post