AF EDU 24-এফ এডু ২৪(afedu24.blogspot.com)
--:--:--

সর্বশেষ

উচ্চ রক্তচাপ ও নিম্ন রক্তচাপ কি? উচ্চ রক্তচাপ ও নিম্ন রক্তচাপের চিকিৎসা। Treatment of Hypertension and Hypotension.

উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন)ও নিম্ন রক্তচাপ কি? উচ্চ রক্তচাপের কারণ। উচ্চ রক্তচাপ নিম্ন রক্তচাপ এর চিকিৎসা

উচ্চ রক্তচাপ (হাইপারটেনশন) ও নিম্ন রক্তচাপ কি? উচ্চ রক্তচাপের কারণ। উচ্চ রক্তচাপ ও নিম্ন রক্তচাপ এর চিকিৎসা।

উচ্চ রক্তচাপকে ডাক্তারি ভাষায় হাইপারটেনশন বলা হয়। শরীর ও মনের স্বাভাবিক অবস্থায় রক্তচাপ যদি বয়সের জন্য নির্ধারিত মাত্রার উপরে দীর্ঘদিন অবস্থান করতে থাকে, তবে তাকে উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন বলা হয়।

রক্তের চাপ যদি কম থাকে, তবে তাকে নিম্ন রক্তচাপ বলা হয়।

হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণের ফলে ধমনির মাধ্যমে রক্ত প্রবাহকালে যদি কোনো ব্যক্তির—

  • সিস্টোলিক রক্তচাপ সব সময় ১৬০ মিলিমিটার পারদস্তম্ভ বা তার বেশি
  • ডায়াস্টোলিক রক্তচাপ সব সময় ৯৫ মিলিমিটার পারদস্তম্ভ বা তার বেশি

থাকে, তবে তাকে উচ্চ রক্তচাপ রোগী বলা যায়।

উত্তেজনা, চিন্তা, বিষণ্ণতা, নিদ্রাহীনতা বা অন্য কোনো কারণে যদি রক্তচাপ সাময়িকভাবে বেড়ে যায়, তবে তাকে হাইপারটেনশন বলা হয় না এবং সাধারণত এর জন্য বিশেষ কোনো ওষুধেরও প্রয়োজন হয় না।

হাইপারটেনশনের সম্ভাব্য কারণ

হাইপারটেনশন হওয়ার প্রকৃত কারণ আজও পুরোপুরি জানা যায়নি। তবে নিচের ব্যক্তিদের মধ্যে এই রোগের ঝুঁকি বেশি দেখা যায়—

  • অতিরিক্ত শারীরিক ওজন ও মেদবহুল শরীর
  • অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ
  • শারীরিক পরিশ্রমের অভাব
  • ডায়াবেটিস রোগী
  • মানসিক চাপগ্রস্ত ও অস্থিরচিত্ত ব্যক্তি
  • রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য

উচ্চ রক্তচাপের জটিলতা

হাইপারটেনশন রোগীদের ক্ষেত্রে যেসব মারাত্মক জটিলতা দেখা দিতে পারে—

  • স্ট্রোক
  • প্যারালাইসিস
  • হৃৎপিণ্ড বড় হয়ে যাওয়া
  • হার্ট অ্যাটাক ও হার্ট ফেইলিউর
  • কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া
  • দৃষ্টিশক্তির সমস্যা

নিম্ন রক্তচাপ সাধারণত উচ্চ রক্তচাপের মতো মারাত্মক নয়, তবে অতিরিক্ত কমে গেলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সতর্কতামূলক নিয়ম

  • ডায়াবেটিস থাকলে নিয়ন্ত্রণে রাখা
  • দেহের ওজন বৃদ্ধি রোধ করা
  • চর্বিযুক্ত খাদ্য বর্জন করা (ঘি, মাখন, গরু ও খাসির মাংস, চিংড়ি ইত্যাদি)
  • সুষম খাদ্য গ্রহণ করা
  • অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণ থেকে বিরত থাকা
  • ধূমপান পরিহার করা
  • নিয়মিত ব্যায়াম করা
  • প্রতিদিন ৭–৮ ঘণ্টা ঘুমানো
  • মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তামুক্ত জীবনযাপন
  • খাবারের সাথে অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ না করা
সতর্কতা: দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপ থাকলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। নিজে নিজে ওষুধ গ্রহণ করা উচিত নয়।

উচ্চরক্তচাপের চিকিৎসা: Treatment

Rx

১) Mild (মৃদু প্রেসার):

  • Losartan Potassium: Losart/Losatan/ Angilock/Osartil
    প্রাপ্ত বয়স্ক (Adult): 50mg দৈনিক ১ বার।
  • অথবা,
  • Bisoprolol: Bislol/Bisopro/Bisocor
    প্রাপ্ত বয়স্ক (Adult): 2.5mg দৈনিক ১ বার।

২) Moderate (মাঝারি প্রেসার):

  • Amlodipine: Amlopin/Amdocal/Camlodin/Amlotab/Amlovas
    প্রাপ্ত বয়স্ক (Adult): 5mg দৈনিক ১ বার।
  • অথবা,
  • Amlodipine+Atenolol: Amdocal plus/Fixocard
    প্রাপ্ত বয়স্ক (Adult): 5/50mg ১টি ট্যাবলেট দৈনিক ১ বার।

৩) Severe (তীব্র প্রেসার):

  • Amlodipine+Olmesartan: Abecab/Bizoran
    প্রাপ্ত বয়স্ক (Adult): 5/20mg ১টি ট্যাবলেট দৈনিক ১ বার।
  • অথবা,
  • Amlodipine+Atenolol: Amdocal plus/Fixocard
    প্রাপ্ত বয়স্ক (Adult): 5/50mg ১টি ট্যাবলেট দৈনিক ১ বার।

তীব্রতার ক্ষেত্রে রোগীকে জরুরী ভিত্তিতে হাসপাতালে কিংবা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের নিকট প্রেরণ করতে হবে।

Hypotension Information

Hypotension (নিম্নরক্তচাপ)

রোগ পরিচিতি:

রক্তচাপ বা প্রেসার যখন নরমালের চেয়ে কমে যায় তখন তাকে লো-প্রেসার বা নিম্নরক্তচাপ বলে। একজন প্রাপ্ত:বয়স্ক ব্যক্তির নরমাল রক্তচাপ পারদ স্কেলে ১২০/৮০ মি.মি।

রোগের কারণ:

  1. রক্তশূণ্যতা ও রক্তক্ষরণ।
  2. পানিশূণ্যতা, ডায়েরিয়া ও কলেরা।

রোগের লক্ষণ:

  1. দূর্বলতা, মাথা ঘুরানো, ঘাড়ব্যথা, বুক ধড়পড় ও বুকব্যথা।
  2. চোখে অন্ধকার দেখা, শরীরে কাঁপুনি, রক্তশূণ্যতা ও ফ্যাকাশে।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা:

Hb%

চিকিৎসা: Treatment

Rx

  1. খাবার স্যালাইন ORS খেতে হবে অথবা শিরাপথে স্যালাইন দিতে হবে- DNS 5% 1000ml.
  2. রক্তশূণ্যতার জন্যঃ
    • Iron-Sucrose: Inj. Feofer/Maxfer/Xenofer প্রতি সপ্তাহে ১টি শিরাপথে দিতে হবে মোট ৪ সপ্তাহ।
    • অথবা, Cap. Zif-CI (০+০+১) -----১মাস।
  3. Tab. Bicozin/Xinc-B - (১+০+১) -----১মাস।

উপদেশঃ

  1. মাছ, মাংশ, দুধ, ডিম ইত্যাদি পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।
  2. সিদ্ধ ডিম লবণ দিয়ে খেলে উপকার পাওয়া যায়।

Post a Comment

Previous Post Next Post