AF EDU 24-এফ এডু ২৪(afedu24.blogspot.com)
--:--:--

সর্বশেষ

নড়াইলের লোহাগড়া ফিলিং স্টেশনে তেল পাওয়া নিয়ে যা জানা গেল।

নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলায় অবস্থিত লোহাগড়া ফিলিং স্টেশনে তেল দেওয়া বন্ধ রয়েছে। ফিলিং স্টেশনটিতে কখন তেল পাওয়া যেতে পারে সে সম্পর্কে কিছু তথ্য আজ ৩১ মার্চ সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় জানা গেল।



সম্প্রতি নড়াইলের তুলরামপুরের একটি ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার নাহিদকে ট্রাক চাপা দেওয়ার পর নিরাপত্তার জন্য নড়াইলের তেল পাম্পগুলোতে তেল দেওয়া সাময়িক বন্ধ রয়েছে। লোহাগড়া উপজেলায় অবস্থিত লোহাগড়া ফিলিং স্টেশনে ডিজেল, অকটেন ও পেট্রল দেওয়া অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য বন্ধ রয়েছে। 

তেল পাম্পের দায়িত্বরত ব্যক্তি দের কাছে জিজ্ঞাসা করলে জানা যায়, ডিপো থেকে তেল না পাওয়ায় তেলের গাড়ি ফিলিং স্টেশনে রয়েছে। কবে কখন তেল পাওয়া যেতে পারে এ ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি। এছাড়াও লোহাগড়া ফিলিং স্টেশনের মালিক অসুস্থ হয়ে ঢাকায় চিকিৎসারত অবস্থায় রয়েছে। হাইওয়েতে চলা অধিকাংশ মটর চালকেরা ফিলিং স্টেশনে গিয়ে তেল না পেয়ে এবং ফিলিং স্টেশনে বাঁশ দিয়ে বন্ধ রাখা দেখে ফিরে যাচ্ছেন। গ্রাহকদের বারবার জিজ্ঞাসার চাপে পড়ে পাম্পের দায়িত্বরত ব্যক্তিরা বলছে যে, আগামী ২ এপ্রিল থেকে তেল পাওয়া যেতে পারে। ২ এপ্রিল কখন থেকে পাওয়া যাবে সে ব্যাপারে কিছুই বলতে পারেননি। কতক্ষণ তেল দিবে জিজ্ঞাসা করলে বলেন, ডিপো থেকে পাম্পে তেল আসার পর  সবাইকে অল্প অল্প জ্বালানি তেল দিলেও ১ থেকে ২  ঘণ্টার মধ্যে তেল দেওয়া শেষ হয়ে যেতে পারে। ফিলিং স্টেশনে ২৪ ঘন্টার জন্য তেল দেওয়া সম্ভব কবে থেকে এ ব্যাপারেও নিশ্চিত করে দায়িত্বরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা কিছুই বলতে পারেননি। বেশ কিছুদিন ধরে কেউ কেউ ফিলিং স্টেশনে গিয়ে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে চার পাঁচ ঘন্টা পর সামান্য কিছু তেল পাইলেও অনেক বাইক ও গাড়ি চালকেরা জ্বালানি তেল না পেয়ে ফিলিং স্টেশন ত্যাগ করেছেন।

নড়াইল জেলার বিভিন্ন জায়গায় বেশ কিছু ব্যবসায়ীর কাছে অতিরিক্ত তেল মজুদ থাকায় প্রশাসন জরিমানা করে তেল জব্দ করেছে। কিছু কিছু জায়গায় প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে কৃষকদের ডিজেল দেওয়া হচ্ছে। অসাধু ব্যবসায়ীদের অতিরিক্ত তেল মজুদ করার কারণে এবং কিছু বাইক চালকদের অতিরিক্ত তেল মজুদ করার কারণে দেশে তেল সংকট আরও তীব্র হচ্ছে। সময় মত সঠিক পরিমাণে জ্বালানি তেল না পাওয়ায় অনেকের আয় রোজগার কমে গিয়েছে। জ্বালানি তেলের সংকট মোকাবেলায় ইতিমধ্যে সরকার বাংলাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনলাইনে ও অফ লাইনে ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 

Post a Comment

Previous Post Next Post