নড়াইল জেলার লোহাগড়া উপজেলাধীন ইতনা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে ২০২৫ সালের প্রথমদিকে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন ইতনা ইউনিয়নের গর্বিত সন্তান অনুজীববিজ্ঞানী সরদার তানজির হোসেন তনু। সভাপতির দায়িত্ব পালন কালে তিনি অর্জন করেছেন অনেক সাফল্য।
ইতনা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পরপরই খুব ভাবগাম্ভীর্যের সাথে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাহিত্য-সংস্কৃতি প্রতিযোগিতা সম্পন্ন করেছিলেন। এরপর শুরু হয় এক একটি সাফল্যের গল্প।
ইতনা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ প্রাঙ্গণে নামাজ ঘর প্রতিষ্ঠা করেছেন। নামাজ ঘরের জন্য আর্থিক সাহায্য দিয়ে অনেক অবদান রেখেছেন। নামাজ ঘর প্রতিষ্ঠার সাথে সাথে একটি মনোরম অজুখানাও তৈরি করে দিয়েছেন।
 |
| নামাজ ঘর |
 |
| ওজুখানা |
ডিসি মহোদয়কে প্রধান অতিথি করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থীর অভিভাবকদের নিয়ে একটি বড় অভিভাবক সমাবেশ এর আয়োজন করেন। প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা ডিসি মহোদয়ের কথা শুনে লেখাপড়ায় উৎসাহিত হন। শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ডিসি মহোদয়ের সাথে যোগাযোগ করে সরদার তানজির হোসেন তনু স্কুলের জন্য চারতালা নতুন ভবন তৈরির আবেদন পাস করান।
প্রতিষ্ঠানের সকল বৈষম্য দূর করতে উদ্যোগ নিয়েছিলেন। অনেক বৈষম্য ইতিমধ্যে তিনি দূর করেছেন। শিক্ষকদের মধ্যে বেতন ভাতার বৈষম্য, বিষয় ভিত্তিক ক্লাসের সংখ্যার বৈষম্য ইত্যাদি দূর করতে সক্ষম হন।
তিনি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের ডানপাশে ক্যান্টিন তৈরির ভিত্তিপ্রস্তর ডিসি মহোদয় কর্তৃক উদ্বোধন করেছেন। সভাপতি এর মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি ক্যান্টিনের কাজটি সমাপ্ত করতে পারেননি। নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করার পর আশা করা যায়, তিনি ক্যান্টিনের কাজটি দ্রুত শেষ করবেন। এছাড়াও তিনি প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য কোয়ার্টারর, অধ্যক্ষের বাসভবন, শিক্ষক-অভিভাবক মিলনায়তন ভবন ইত্যাদির স্বপ্নও দেখছেন। সভাপতি সরদার তানজির হোসেন তনু এটাও বিশ্বাস করেন যে, উনি একান্ত চেষ্টা করলে ইতনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠাও করা সম্ভব। আমরা আশা করি, উনার স্বপ্নগুলো খুব দ্রুত একদিন বাস্তবায়ন হবে।
 |
| ক্যান্টিনের জন্য সংরক্ষিত জায়গা |
এক নজরে সভাপতির দায়িত্বকালে সম্পূর্ণ অ্যাডহক কমিটির সাফল্য:
এডহক কমিটি ২০২৫ যার সভাপতি - সরদার তানজির হোসেন (তনু) এবং অভিভাবক সদস্য - শ.ম. কামাল হোসেন (রিন্টু) এদের ৬ মাসে অর্জন :
1. PBGSI এর ৫ লক্ষ টাকা অনুদানের কার্যক্রম বাস্তবায়ন।
2. LGED এর মাধ্যমে ২ লক্ষ টাকার আসবাবপত্র ক্রয়।
3. প্রতিষ্ঠানের ভবন সংস্কারের জন্য জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ১৫ লক্ষ টাকার কাজ অনুমোদন ও কাজ চলমান।
4. শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে চারতলা ভবন অনুমোদন ও কাজ চলমান।
5. প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের জন্য পুষ্টিকর খাদ্য ন্যায্য মূল্যে সরবরাহের জন্য স্কুল ক্যান্টিন নির্মাণ (চলমান)
6. পিছিয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের বাড়িতে গিয়ে খোঁজখবর নেওয়া ও পড়ার টেবিল পরিদর্শন।
7. প্রতিষ্ঠানের ছাত্রী কমনরুম সংস্কার।
8. নিজস্ব উদ্যোগে নামাযঘর ও ওযু খানা নির্মাণ।
9. জেলার সর্বোচ্চ কর্মকর্তাদের নিয়ে অভিভাবক সমাবেশ।
10. বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও ২ বছরের বকেয়া পুরস্কার প্রদান।
11. শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন।
12. স্কুল পলানো রোধ এবং আবেদনের মাধ্যমে ছুটির ব্যবস্থা গ্রহণ।
13. প্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আনায়ন।
14. প্রতিষ্ঠানের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের নিয়ে সমাবেশ ও পরিকল্পনা গ্রহণ।
15. এলাকার শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিদের নিয়ে সমাবেশ ও প্রতিষ্ঠানে সম্পৃক্তকরণ।
16. পিটিএ কমিটি গঠন এবং কার্যক্রম নিশ্চিতকরণ।
17. সর্বাধিক শ্রেনি কার্যক্রম নিশ্চিতকরণ।
18. সহশিক্ষা কার্যক্রমের প্রতি গুরুত্ব প্রদান।
19. প্রতিষ্ঠানে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান বাস্তবায়ন।
20. শিক্ষার মান বৃদ্ধির জন্য শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ।
Post a Comment